March 24, 2026, 1:03 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

রাজশাহীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর-মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পুলিশ সদস্য মতিয়ার রহমানের দাফন সম্পন্ন

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান ::
যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক পুলিশ সদস্য মতিয়ার রহমান। আজ সোমবার (০৫ অক্টোবর) ২০২০ ইং ভোর ৫ ঘটিকায় হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে নিজ বাসভবনে  শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি রাজশাহী মহানগরীর কাজলা ২৮-নং ওয়ার্ডের সাকোপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ডায়বেটিস উচ্চরক্তচাপ এবং হৃদরোগ জিনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
বীর-মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমানের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম আহমেদ জাতীয় পতাকা দিয়ে লাশ ঢেকে ফুল দিয়ে নিরবে দাড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে এস.আই মমতাজের নেতুত্বে একদল পুলিশ সদস্য এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দিয়ে রাষ্ট্রিয় মর্জাদা প্রদর্শন করেন।
গার্ড-অব-অনার দিয়ে রাষ্ট্রিয় মর্জদা প্রদর্শন কালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সেরাজ আলি ও অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ গনমান্য ব্যাক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জানাযা শেষে বীর-মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমানের মরদেহ কাজলা সাকোপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২মেয়ে, আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
বীর-মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান ১৯৪৫ সালের ৫ই আগস্ট দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার গুড়গুড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পুলিশে চাকরিরত অবস্থায় ১৯৭১ সালের  মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭-নম্বর সেক্টরের চাপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চল থেকে সম্মুখভাগে অংশগ্রহন করেন পরে ২০০০ সালে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহন করেন।
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর